ওই কর্মকর্তা জানান, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করছে—এমন বাণিজ্যিক ও সামুদ্রিক নেটওয়ার্কগুলোর ওপর তেহরানের ঘনিষ্ঠ নজরদারি রয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো কোম্পানি, জাহাজের মালিক বা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান জেনেশুনে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক কার্যক্রমে সহায়তা করলে তাদের আইনি ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পাশাপাশি পাল্টা নিষেধাজ্ঞার মুখেও পড়তে হতে পারে।
ইরানের ওই সামরিক কর্মকর্তা বলেন, মার্কিন সেনাদের জন্য জ্বালানি, গোলাবারুদ, সামরিক সরঞ্জাম ও খাবারসহ প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনকে তেহরান নিছক বাণিজ্যিক কার্যক্রম হিসেবে বিবেচনা করবে না। এসব কর্মকাণ্ডকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত যুদ্ধে সহায়তা হিসেবে দেখা হবে।
ইরানের নজরদারির আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় মারস্ক, স্কাইলার লাইন নেভিগেশন, ক্রাউলি গভর্নমেন্ট সার্ভিসেস, ওভারসিজ শিপহোল্ডিং গ্রুপ, সিবাল্ক ট্যাংকার্স এবং প্যাট্রিয়ট কনট্রাক্ট সার্ভিসেসের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
ওই কর্মকর্তা আরও সতর্ক করেন, সামরিক অভিযানের ধরন সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও যারা বাণিজ্যিক ও সরবরাহ অবকাঠামো ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত মার্কিন অভিযানে সহযোগিতা করবে, তাদের কর্মকাণ্ড ইরানের নজরের বাইরে থাকবে—এমনটা ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
নিউজ বাংলা চ্যানেল