সাম্প্রতিক সময়ে তার পারফরম্যান্স মিশ্র। উদাহরণস্বরূপ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ওয়ানডেতে ৮ বলে ১৬ রানের একটি কার্যকরী ইনিংস খেললেও, চোট পাওয়ার ম্যাচে তিনি ৩ বলে ১ রানে আউট হন। গোড়ালির এই চোটের কারণে আয়ারল্যান্ড সিরিজে তার অংশগ্রহণ প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। প্রায় তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকা তার ফিটনেস ফিরে পাওয়ার পথে বড় বাধা সৃষ্টি করবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান চিকিৎসক, ডা. দেবাশীষ চৌধুরী, নিশ্চিত করেছেন যে দুই ক্রিকেটারকেই প্রাথমিকভাবে ১০ দিনের সম্পূর্ণ বিশ্রামের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সোহান এবং শরিফুল উভয়কেই নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এই ১০ দিন তারা ফিজিওথেরাপি চালিয়ে যাবেন। এরপর তাদের শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে পরবর্তী চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ যদিও সোহানের আয়ারল্যান্ড টি- টোয়েন্টি সিরিজে ফেরার সম্ভাবনা ক্ষীণ, তবে শরিফুল ইসলাম আগামী ২১শে নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া জাতীয় ক্রিকেট লীগের (এনসিএল) মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
শরিফুল ইসলাম দলের পেস আক্রমণের অন্যতম অপরিহার্য সদস্য। বামহাতি পেসার হিসেবে তিনি পাওয়ারপ্লে এবং ডেথ ওভারে উইকেট তুলে নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ইকোনমি রেট ৮.১০ হলেও ৬০টি উইকেট তার ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে। যদিও শেষ উইন্ডিজ টি-টোয়েন্টিতে তিনি উইকেটশূন্য ছিলেন, কিন্তু এর আগে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলিতে তিনি নিয়মিতভাবে উইকেট নিয়েছেন (যেমন, ৩/১৭-এর মতো উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স)। তার মতো একজন স্ট্রাইক বোলারের অনুপস্থিতি আসন্ন সিরিজে অবশ্যই দলের জন্য একটি বড় ধাক্কা।
খবর- মানবজমিন
খবর- মানবজমিন
নিউজ বাংলা চ্যানেল