ঢাকা | বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গার কৃষকরা অতিবৃষ্টিতে ক্ষতির মুখে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 9, 2025 ইং | Photo Card
চুয়াডাঙ্গার কৃষকরা অতিবৃষ্টিতে ক্ষতির মুখে ছবির ক্যাপশন: বৃষ্টিতে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় চুয়াডাঙ্গার অনেক এলাকায় পেঁপে গাছ ক্ষতির মুখে পড়েছে
ad728

মানিক আকবর চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি :: জুলাই ও অগাস্টের প্রথম দিকের অতিবৃষ্টিতে চুয়াডাঙ্গা জেলায় কৃষিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জেলার নীচু এলাকার গ্রামগুলোতে বিভিন্ন ধরনের সবজি, আউশ ও আমন ধান, পাটসহ বিভিন্ন ফলের বাগান ক্ষতির মুখে পড়েছে।

জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের লাউ, শসা, কাঁচামরিচ, ধনেপাতার ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় অনেক এলাকায় পেঁপে গাছ ও কলাবাগান ক্ষতির মুখে পড়েছে। পানি জমে থাকায় করা যাচ্ছে না ফুলকপি, পাতাকপিসহ শীতকালীন সবজির বীজতলা।

চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেব মতে জেলায় মোট ৮৭২ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চাষিদের মতে এই ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকার ওপরে।

সদর উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের কৃষক রতন আলী বলেন, “টানা বৃষ্টির কারণে আমরা ধান কেটে ঘরে তুলতে পারছি না। লাউ, শসা ও ধনেপাতার ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টিতে ফুল-জালি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে উৎপাদন অনেক কমে আসবে। আমাদের অনেক বেশি ক্ষতি হয়ে যাবে।”

একই গ্রামের কৃষক কুরবান আলী বলেন, “তিন বিঘা জমিতে পেঁপে বাগান করেছিলাম। বৃষ্টির কারণে শেকড় আলগা হয়ে যাওয়ায় গাছ ঠেকিয়ে রাখা যাচ্ছে না। অনেক গাছ মাটিতে পড়ে গেছে।

“তাছাড়া তিন বিঘা জমিতে কাঁচামরিচ আছে। সেটাও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টির কারণে গাছে ফুল থাকছে না, পড়ে যাচ্ছে। সব মিলে আমার অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে।”

তিনি আরও বলেন, জুলাই মাসের বৃষ্টিতে মাঝেমধ্যে কিছুটা ঝড়ও হয়েছে। সেই ঝড়ে গোড়া উপড়ে পড়ে গেছে পেঁপে বাগানের অনেক গাছ। একই অবস্থা হয়েছে গ্রামের কলা বাগানগুলোতেও।

সদর উপজেলার নূরনগর ও গাড়াবাড়িয়া গ্রামে ৩০ বিঘা জমিতে অন্তত ৪০ বছর ধরে চাষাবাদ করেন কৃষক শরীফউদ্দিন।

তিনি বলেন, “শীতকালীন পাতাকপি, ফুলকপির বীজতলা তৈরির সময় চলে যাচ্ছে। যারা আগে চারা তৈরি করেছিলেন তাদের বেশিরভাগই চারা নষ্ট হয়ে গেছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : নিউজ বাংলা চ্যানেল

কমেন্ট বক্স