ইরানি বার্তা সংস্থা ‘তাসনিম নিউজ’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবারের হামলায় নাবাতিয়ে জেলার আল-আনসার, আলি আল-তাহের মালভূমি, নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা এবং দেইর আল-জাহরানি এলাকায় আঘাত হানা হয়। এতে আবাসিক ও বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি একাধিক পরিবার ক্ষতির শিকার হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী আল-আনসারে তিন শিশুসহ সাতজন এবং দেইর এজ-জাহরানীতে চারজন নিহত হয়েছেন।
ইসমাইল বাঘাই এই হামলাকে লেবাননের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তারও কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। লেবাননের সার্বভৌমত্ব এবং দেশটির জনগণের প্রতিরোধের প্রতি ইরানের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন ইরানের এই মুখপাত্র।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, হিজবুল্লাহর আগের একটি হামলায় তাদের তিন সেনা আহত হওয়ার পর পাল্টা সামরিক অভিযান হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে।
হামলায় বেসামরিক মানুষ নিহত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও ইসরায়েলের দাবি, হিজবুল্লাহ ইচ্ছাকৃতভাবে সাধারণ মানুষকে তাদের সামরিক ঘাঁটিতে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে।
ইসরায়েলি হামলার সমালোচনা করেছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনও। তাঁর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় পরবর্তী আলোচনা শুরুর আগেই ইসরায়েল নিজেদের আগ্রাসী অবস্থানের বার্তা দিচ্ছে।
এদিকে সীমান্তবর্তী এলাকায় ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে উত্তেজনা বর্তমানে চরম পর্যায়ে রয়েছে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল