বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে তারেক রহমান দলের সংসদ সদস্যদের জন্য দুটি অনুশাসন দিয়েছেন। সেগুলো হলো—কোনো সংসদ সদস্য শুল্কমুক্ত গাড়িসুবিধা নেবেন না, আর সরকারি প্লটও নেবেন না ।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আজ থেকে পরিবর্তন শুরু হলো। এই দেশে সংসদ সদস্য হলেই যে তিনি সবার ওপরে থাকবেন, সেটা আর হবে না।
সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। শপথ না নেওয়ার কারণ সম্পর্কে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গণভোটের রায় অনুসারে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে হলে আগে সংসদে যেতে হবে। সংসদে প্রয়োজনীয় আইন ও সংবিধান সংশোধন করতে হবে।
বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ পড়ানোর এখতিয়ার সিইসির নেই বলে মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সিইসি তাঁদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ পাঠ করানোর জন্য ‘অ্যাপ্রোচ’ করেননি। আর তাঁরাও এই শপথ নেননি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘সাংবিধানিকভাবে সমস্ত কিছু পরিচালিত হওয়া দরকার। আমরা এই পর্যন্ত যা এসেছি, সাংবিধানিক পদ্ধতি মেনেই এসেছি। ভবিষ্যতেও আমরা সাংবিধানিকভাবে এ রাষ্ট্রকে পরিচালনা করব।’