এই সাফল্যে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস পরিলক্ষিত হচ্ছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং সমগ্র লোহাগড়া উপজেলার মানুষ গর্ব ও উৎসবের আমেজ উপভোগ করছেন। অনেকে একে “লোহাগড়ার গৌরব” হিসেবে অভিহিত করছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস. এম. হায়াতুজ্জামান বলেছেন:“আমাদের লক্ষ্য কেবল ভালো ফল করা নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন, পরিপূর্ণ মানুষ তৈরি করা। শিক্ষকেরা প্রতিটি শিক্ষার্থীকে নিজের সন্তানের মতো দেখেন, তাদের পথ দেখান এবং জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে সহযোগিতা করেন। নিয়মিত পাঠদান, অতিরিক্ত ক্লাস, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং নৈতিক শিক্ষার সমন্বয়েই এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন:“এই সাফল্য কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়—শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, ভালোবাসা ও আন্তরিকতার ফলস্বরূপ এটি অর্জিত হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং নড়াইল জেলায় শিক্ষার মান আরও উন্নত করতে আগ্রহী।”
শিক্ষার্থীরাও জানিয়েছেন, শিক্ষকগণ সবসময় তাদের পাশে ছিলেন। নিয়মিত ক্লাস, প্রশ্নব্যাংক, মডেল টেস্ট এবং দলবদ্ধ সহযোগিতা তাদের সাফল্যের মূল কারণ ছিল।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় নড়াইল জেলায় জেনারেল, মাদ্রাসা ও কারিগরি মিলিয়ে মোট ৮,৫০১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫,৯৭৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ২,৫২৬ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। জেলার মধ্যে মোট ৫৭২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে—যার মধ্যে লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, যা একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।
অভিভাবকগণ এই সাফল্যে অত্যন্ত আনন্দিত। তাদের মধ্যে অনেকেই বলেছেন, “এই বিদ্যালয় শুধু ভালো ফল তৈরি করে না, বরং ভালো মানুষও তৈরি করে। এই অর্জন আমাদের সন্তানদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা।”
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এই গৌরবময় ফলাফল নড়াইল জেলার অন্যান্য বিদ্যালয়গুলোর জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
অভিভাবকগণ এই সাফল্যে অত্যন্ত আনন্দিত। তাদের মধ্যে অনেকেই বলেছেন, “এই বিদ্যালয় শুধু ভালো ফল তৈরি করে না, বরং ভালো মানুষও তৈরি করে। এই অর্জন আমাদের সন্তানদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা।”
শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের এই গৌরবময় ফলাফল নড়াইল জেলার অন্যান্য বিদ্যালয়গুলোর জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
খবর- ভোরের পাতা
নিউজ বাংলা চ্যানেল