সমাবেশে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান যুদ্ধে ব্যাপকভাবে পরাজিত হচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের হাতে চলে আসবে।
মার্কিন নৌ-অবরোধকে ‘ইস্পাতের প্রাচীর’ হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য বজায় থাকবে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে ট্রাম্পের এসব বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান ও পারস্য উপসাগরীয় প্রণালী কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের এমন মৌখিক দাবি বাস্তব পরিস্থিতিতে কোনো পরিবর্তন আনতে পারেনি।
ইরানের বেঁধে দেওয়া শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথ অবরুদ্ধ থাকবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
এদিকে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালী ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রভাব ফেলছে। দুই দেশের সংঘাতের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে বিকল্প ও নিরাপদ পথে চলাচল করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়া ঠেকাতে আন্তর্জাতিক মহল জরুরি কূটনৈতিক সংযমের আহ্বান জানাচ্ছে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল